ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিল্পের উন্নয়নেই অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হবে: অর্থমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৪:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে শিল্প খাতের উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শিল্প খাতের অগ্রগতি নিশ্চিত না হলে অর্থনীতিও কাঙ্ক্ষিতভাবে শক্তিশালী হবে না। এ কারণে শিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, শিল্প খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত থাকবে। বৈঠকে বিটিএমএর পক্ষ থেকে শিল্প খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং অবশিষ্ট বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

তিনি বলেন, সরকার চায় দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সক্ষম হয়ে উঠুক। কারণ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় ভিত্তি হচ্ছে শিল্প খাত। তাই ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো সমাধানে ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ শিথিল (ডিরেগুলেশন) করেছে। এরপরও যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে, সেগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে।

তিনি জানান, বৈঠকে সৌদি আরবের সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিকল্প অর্থায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সরকারের অর্থায়ন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় নতুন অর্থায়নের উৎস খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সহযোগিতার সম্ভাবনাও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

নতুন বাজেট সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সরাসরি কোনো মূল্যায়ন দিতে রাজি হননি। হাস্যরসের ছলে তিনি বলেন, “বাজেট কেমন হয়েছে, সেটা আপনারাই বলবেন। আমি কীভাবে বলব?”

রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ লক্ষ্যে প্রস্তুত রয়েছেন এবং রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তবে রাজস্ব আদায় তদারকিতে গঠিত টাস্কফোর্সের কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিল্পের উন্নয়নেই অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হবে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে শিল্প খাতের উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, শিল্প খাতের অগ্রগতি নিশ্চিত না হলে অর্থনীতিও কাঙ্ক্ষিতভাবে শক্তিশালী হবে না। এ কারণে শিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বারের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, শিল্প খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত থাকবে। বৈঠকে বিটিএমএর পক্ষ থেকে শিল্প খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং অবশিষ্ট বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

তিনি বলেন, সরকার চায় দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সক্ষম হয়ে উঠুক। কারণ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় ভিত্তি হচ্ছে শিল্প খাত। তাই ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো সমাধানে ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ শিথিল (ডিরেগুলেশন) করেছে। এরপরও যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়ে গেছে, সেগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধান করা হবে।

তিনি জানান, বৈঠকে সৌদি আরবের সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিকল্প অর্থায়নের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সরকারের অর্থায়ন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় নতুন অর্থায়নের উৎস খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সহযোগিতার সম্ভাবনাও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

নতুন বাজেট সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সরাসরি কোনো মূল্যায়ন দিতে রাজি হননি। হাস্যরসের ছলে তিনি বলেন, “বাজেট কেমন হয়েছে, সেটা আপনারাই বলবেন। আমি কীভাবে বলব?”

রাজস্ব আদায় প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ লক্ষ্যে প্রস্তুত রয়েছেন এবং রাজস্ব আদায় সন্তোষজনক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তবে রাজস্ব আদায় তদারকিতে গঠিত টাস্কফোর্সের কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি।