ঢাকার প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা
- আপডেট সময় : ০৮:০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে সড়কে যানজটসহ নানা প্রতিবন্ধকতা লেগেই থাকে। সড়কেই নষ্ট হয় মানুষের মূল্যবান কর্মঘণ্টা।
সেইসঙ্গে অটোরিকশাজনিত দুর্ঘটনাও ঘটে প্রতিনিয়ত। দুর্ঘটনা এড়াতে এবার প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এ ছাড়া অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুত হচ্ছে নতুন নীতিমালা।রবিবার (৩০ আগস্ট) অটোরিকশা নতুন নীতিমালার কথা জানিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হবে বুয়েট বা সরকারি পলিটেকনিকের নকশা ও ট্রাফিক ফিটনেস ছাড়া মিলবে না ই-রিকশার লাইসেন্স।
চার্জ দেওয়ার পয়েন্টগুলোর লাইসেন্স দিবে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা।
অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নীতিমালা আমাদের একদম শেষ পর্যায়ে। এটা আমরা একটু ভেটিং করব এখন। আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে।ভেটিং হয়ে আসার পরেই আমরা এক সপ্তাহের মধ্যেই বা পরের সপ্তাহেই যত দ্রুত সম্ভব আমরা এটা দিয়ে দিব।
নীতিমালায় ইরিকশার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় এবং জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো ই-রিকশা নিবন্ধন দেওয়া হবে না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এগুলোও আমরা একটা সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসব যে, বুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির ডিজাইন অনুযায়ী যারা প্রোডাকশন করবে, এই ফ্যাক্টরিগুলোরও লাইসেন্স সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের কাছ থেকে রেজিস্টার্ড কোম্পানি হতে হবে এবং পৌরসভার কাছ থেকে নিতে হবে আরকি।
ঢাকায় ৮ জোনে অটোরিকশা জানিয়ে তিনি বলেন, ঢাকাতে যেটা আমরা প্ল্যান করেছি, এটা ট্রাফিক বিভাগের অবশ্য প্রস্তাব, সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি যে তাদের প্রস্তাবটা একেবারেই অমূলক না, সেটা হচ্ছে যে আমরা উত্তরে এবং দক্ষিণে৪টি,৪টি-৮টি জোন করব।
এই অনুমোদিত ই-রিকশা জেলা, রেজিস্টার্ড রিকশা জেলা এবং এই ৮টি জোনের ৮টি রং হবে। এবং আমরা চেষ্টা করব যে একটি জোনের আপনার ই-রিকশা যেন আরেকটি জোনে যেতে না পারে।





















