কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসবে সেরা ক্রীড়াবিদ বাতেন বিপ্লব ও জাহিদা পারভেজ ছন্দা
- আপডেট সময় : ১০:৪১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব- ২০২৬ ইং আসরে সেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদ হিসাবে শফিকুল কবির ট্রফি জিতে নিলেন এশিয়ান টিভির
প্রধান বার্তা সম্পাদক মো: আব্দুল বাতেন ( বাতেন বিপ্লব)। সেরা নারী ক্রীড়াবিদ হিসাবে এম আনোয়ারুল হক ট্রফি জিতেছেন দি প্রেসেঞ্জা নিউজ এজেন্সির জাহিদা পারভেজ ছন্দা।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজনে এবং মৌসুমী ইন্ডষ্ট্রিজ লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয় আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ডিআরইউ’র সাগর-রুনী মিলনায়তনে।
প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসবের পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সভাপতি ও জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জাবের, ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল এবং সাবেক ক্রীড়ালেখক, সংগঠক ও ব্যাংকার সেলিম নজরুল হক উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সকল ক্রীড়া ফেডারেশনকে একটি সিড মানি দেওয়া হবে। যার লভ্যাংশ থেকে যে অর্থ পাবে, তাই দিয়ে খেলা চালাতে পারবে। ঠিক সেরকম একটি সিড মানিও ডিআরইউকে দেওয়ার কথা ভাবছি আমরা। যাতে সাংবাদিকদের খেলা আয়োজন করতে কোন সমস্যা না হয়।’ বিশেষ অতিখির বক্তব্যে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সভাপতি ও জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জাবের বলেন, ‘খেলাধূলা দেশের যুব সমাজের চালিকা শক্তি। খেলায় মনন বিকশিত হয়, শরীর ভাল থাকে। তাই আমি ডিআরইউর এই আয়োজনকে স্বাগত জানাই।’
সভাপতির বক্তব্যে আবু সালেহ আকন বলেন, ‘আমরা সাংবাদিকরা লেখালেখির পাশাপাশি খেলাতেও যে সেরা সেটাই আমার প্রমাণিত হয়েছে। আমরা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে খেলাধূলা করার সহযোগিতা চাই।’
ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি শুধু সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েই কাজ করে না, সদস্যদের বিনোদন, মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা প্রতিদিন অত্যন্ত ব্যস্ততা, চাপ ও নানা ধরনের প্রতিকূলতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করেন। তাই কর্মব্যস্ততার বাইরে তাদের মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতার জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ডিআরইউ বছরব্যাপী বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে। সামনে ডিআরইউর উদ্যোগে ফুটবল ও ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে। এসব আয়োজনকে আরও আকর্ষণীয় ও বৃহৎ পরিসরে করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ডিআরইউর ক্রীড়া কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সিড মানির প্রয়োজন রয়েছে। এ জন্য সরকার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়াপ্রেমী ব্যক্তি ও সংগঠনের প্রতি ডিআরইউকে সিড মানি দেওয়ার আহ্বান জানাই। এই সহযোগিতা পাওয়া গেলে ডিআরইউ বছরজুড়ে আরও বেশি খেলাধুলার আয়োজন করতে পারবে।
এবারের আসরে ১৫টি ইভেন্টে ডিআরইউর প্রায় তিন শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।




















