ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির অষ্টম জাতীয় সম্মেলন ও বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতথাইরয়েড চিকিৎসায় শিক্ষা, উদ্ভাবন ও আধুনিক প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ

  • আপডেট সময় : ১২:১৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

থাইরয়েড রোগের আধুনিক নির্ণয়, উন্নত চিকিৎসাপদ্ধতি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির (বিটিএস) অষ্টম জাতীয় সম্মেলন ও বার্ষিক সাধারণ সভা।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ‘থাইরয়েড কেয়ার: থ্রু এডুকেশন, ইনোভেশন অ্যান্ড ইন্টারভেনশন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে থাইরয়েড রোগের আধুনিক চিকিৎসা, বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি, গবেষণা এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এম. এ. করিম এবং ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. জি. কে. আজাদ খান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের (নিনমাস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী।
সম্মেলনে থাইরয়েড রোগের আধুনিক নির্ণয় ও চিকিৎসা, চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র উপস্থাপন এবং পোস্টার সেশনসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এসব কার্যক্রমে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও গবেষণালব্ধ জ্ঞান বিনিময়ের পাশাপাশি থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন।

আয়োজকদের মতে, এ ধরনের সম্মেলন চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি থাইরয়েড রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি এবং রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
একই সঙ্গে দেশের থাইরয়েড চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়ন, গবেষণার প্রসার এবং বিশেষজ্ঞদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির অষ্টম জাতীয় সম্মেলন ও বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতথাইরয়েড চিকিৎসায় শিক্ষা, উদ্ভাবন ও আধুনিক প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ

আপডেট সময় : ১২:১৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

থাইরয়েড রোগের আধুনিক নির্ণয়, উন্নত চিকিৎসাপদ্ধতি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির (বিটিএস) অষ্টম জাতীয় সম্মেলন ও বার্ষিক সাধারণ সভা।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ‘থাইরয়েড কেয়ার: থ্রু এডুকেশন, ইনোভেশন অ্যান্ড ইন্টারভেনশন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনে থাইরয়েড রোগের আধুনিক চিকিৎসা, বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি, গবেষণা এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. এম. এ. করিম এবং ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. জি. কে. আজাদ খান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেসের (নিনমাস) পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী।
সম্মেলনে থাইরয়েড রোগের আধুনিক নির্ণয় ও চিকিৎসা, চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র উপস্থাপন এবং পোস্টার সেশনসহ বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এসব কার্যক্রমে চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও গবেষণালব্ধ জ্ঞান বিনিময়ের পাশাপাশি থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন।

আয়োজকদের মতে, এ ধরনের সম্মেলন চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি থাইরয়েড রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি এবং রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
একই সঙ্গে দেশের থাইরয়েড চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়ন, গবেষণার প্রসার এবং বিশেষজ্ঞদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।