ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হলদিয়ায় উন্নয়ন, সততা-মানবিকতায় সবার চেয়ে এগিয়ে মকবুল হোসেন

  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও বরগুনার আমতলী উপজেলার ৪ নম্বর হলদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন মো. মকবুল হোসেন খাঁন। হাটে-বাজারে, চায়ের আড্ডায় ও উঠান বৈঠকে বারবার উঠে আসছে তার নাম।

তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন, হলদিয়ার মানুষের কাছে তিনি এখন আস্থা ও ভরসার প্রতীক।শিক্ষা-দীক্ষায় আলোকিত একজন মানুষ

১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত খাঁন পরিবারে মরহুম আমজাদ আলী খাঁনের ঘরে তার জন্ম। ১৯৭২ সালে আমতলী এ কে পাইলট থেকে এসএসসি, ১৯৮১ সালে আমতলী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও শিক্ষিত এ ব্যক্তি দুই পুত্রের জনক।মকবুল হোসেন খাঁন হঠাৎ গজিয়ে ওঠা নেতা নন। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আমতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০১৫ সাল থেকে অদ্যাবধি যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসময় তিনি দলকে সুসংগঠিত রাখতে ভূমিকা রেখেছেন।

২০০৯, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের দুঃসময়ে এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন তিনি। এ সময় কর্মীদের আগলে রেখেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১১ সালে প্রথম স্থানীয় নির্বাচনে ৫ হাজার ১২১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন মকবুল হোসেন খাঁন। ২০১৬ সালে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের ভোট ডাকাতির কারণে পিছিয়ে পড়েন বলে তার সমর্থকদের দাবি। ২০২১ সালে দলের সিদ্ধান্তে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। সব মিলিয়ে ইউনিয়নে তার একটি বড় ভোটব্যাংক আগে থেকেই রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, হলদিয়া-চাওড়ার সংযোগ সেতু ভেঙে নয়জনের করুণ মৃত্যুর পর যখন সবাই নীরব ছিলেন, তখন মকবুল হোসেন খাঁনের উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি কাঠের পোল নির্মাণ করা হয়। সে পোল দিয়ে বর্তমানে দুই লাখ মানুষ চলাচল করেন বলে তাদের দাবি।

এ ছাড়া দুস্থ, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন তিনি। ফোন পেলেই ছুটে যান মানুষের পাশে। এ কারণে এলাকার মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে, ‘বিপদে ডাকলেই মকবুল ভাইকে পাই।’

মকবুল হোসেন খাঁনের পরিবারকে একটি আদর্শ বিএনপি পরিবার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তার ছোট ভাই জালাল আহমেদ খাঁন পৌর বিএনপির সদস্যসচিব। বড় ছেলে এনামুল হক বাচ্চু (এমএ) একজন সফল ব্যবসায়ী এবং ছোট ছেলে ইমরান খান উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব। ফ্যাসিস্ট আমলে ১৩টি মিথ্যা মামলা ও চার বছরের কারাবাসও তাদের দমাতে পারেনি বলে পরিবারের পক্ষের বক্তব্য।স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, মকবুল হোসেন খাঁন একজন ধার্মিক, বিনয়ী, মানবিক, সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি। দলীয় নেতা হলেও তিনি চাঁদাবাজ, ইভটিজার, চোর-ডাকাতকে কখনো প্রশ্রয় দেন না। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জনগণ সঠিক সেবা পাবে বলে তারা মনে করেন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মকবুল হোসেন খাঁন বলেন, আমি শহীদ জিয়ার আদর্শ, মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভালোবাসা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফাকে বুকে ধারণ করে হলদিয়াকে একটি মডেল, মানবিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চাই। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত হলদিয়ার মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সেবা করে যেতে চাই।

হলদিয়ার মাঠপর্যায়ে এখন পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করছেন তার সমর্থকেরা। তাদের মতে, সে পরিবর্তনের সম্ভাব্য নেতৃত্বে রয়েছেন মকবুল হোসেন খাঁন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হলদিয়ায় উন্নয়ন, সততা-মানবিকতায় সবার চেয়ে এগিয়ে মকবুল হোসেন

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও বরগুনার আমতলী উপজেলার ৪ নম্বর হলদিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন মো. মকবুল হোসেন খাঁন। হাটে-বাজারে, চায়ের আড্ডায় ও উঠান বৈঠকে বারবার উঠে আসছে তার নাম।

তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন, হলদিয়ার মানুষের কাছে তিনি এখন আস্থা ও ভরসার প্রতীক।শিক্ষা-দীক্ষায় আলোকিত একজন মানুষ

১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি দক্ষিণ তক্তাবুনিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত খাঁন পরিবারে মরহুম আমজাদ আলী খাঁনের ঘরে তার জন্ম। ১৯৭২ সালে আমতলী এ কে পাইলট থেকে এসএসসি, ১৯৮১ সালে আমতলী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও শিক্ষিত এ ব্যক্তি দুই পুত্রের জনক।মকবুল হোসেন খাঁন হঠাৎ গজিয়ে ওঠা নেতা নন। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আমতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য ছিলেন। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০১৫ সাল থেকে অদ্যাবধি যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসময় তিনি দলকে সুসংগঠিত রাখতে ভূমিকা রেখেছেন।

২০০৯, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের দুঃসময়ে এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন তিনি। এ সময় কর্মীদের আগলে রেখেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

২০১১ সালে প্রথম স্থানীয় নির্বাচনে ৫ হাজার ১২১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন মকবুল হোসেন খাঁন। ২০১৬ সালে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের ভোট ডাকাতির কারণে পিছিয়ে পড়েন বলে তার সমর্থকদের দাবি। ২০২১ সালে দলের সিদ্ধান্তে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। সব মিলিয়ে ইউনিয়নে তার একটি বড় ভোটব্যাংক আগে থেকেই রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, হলদিয়া-চাওড়ার সংযোগ সেতু ভেঙে নয়জনের করুণ মৃত্যুর পর যখন সবাই নীরব ছিলেন, তখন মকবুল হোসেন খাঁনের উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি কাঠের পোল নির্মাণ করা হয়। সে পোল দিয়ে বর্তমানে দুই লাখ মানুষ চলাচল করেন বলে তাদের দাবি।

এ ছাড়া দুস্থ, অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত মানুষকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেন তিনি। ফোন পেলেই ছুটে যান মানুষের পাশে। এ কারণে এলাকার মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত রয়েছে, ‘বিপদে ডাকলেই মকবুল ভাইকে পাই।’

মকবুল হোসেন খাঁনের পরিবারকে একটি আদর্শ বিএনপি পরিবার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তার ছোট ভাই জালাল আহমেদ খাঁন পৌর বিএনপির সদস্যসচিব। বড় ছেলে এনামুল হক বাচ্চু (এমএ) একজন সফল ব্যবসায়ী এবং ছোট ছেলে ইমরান খান উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব। ফ্যাসিস্ট আমলে ১৩টি মিথ্যা মামলা ও চার বছরের কারাবাসও তাদের দমাতে পারেনি বলে পরিবারের পক্ষের বক্তব্য।স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, মকবুল হোসেন খাঁন একজন ধার্মিক, বিনয়ী, মানবিক, সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি। দলীয় নেতা হলেও তিনি চাঁদাবাজ, ইভটিজার, চোর-ডাকাতকে কখনো প্রশ্রয় দেন না। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং জনগণ সঠিক সেবা পাবে বলে তারা মনে করেন।

চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মকবুল হোসেন খাঁন বলেন, আমি শহীদ জিয়ার আদর্শ, মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভালোবাসা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফাকে বুকে ধারণ করে হলদিয়াকে একটি মডেল, মানবিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চাই। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত হলদিয়ার মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সেবা করে যেতে চাই।

হলদিয়ার মাঠপর্যায়ে এখন পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করছেন তার সমর্থকেরা। তাদের মতে, সে পরিবর্তনের সম্ভাব্য নেতৃত্বে রয়েছেন মকবুল হোসেন খাঁন।