ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষায় পাকিস্তানের অগ্রগতিতে মুগ্ধ শিক্ষামন্ত্রী, ‘আমি সত্যিই অভিভূত’

  • আপডেট সময় : ১০:০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের শিক্ষা খাতে উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রশংসা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশটির অগ্রগতি তাকে সত্যিই অভিভূত করেছে।শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক মানে এগিয়ে গেছে এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল স্কলারশিপের সুযোগ তৈরি হওয়া অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ।সোমবার (১১ মে) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত পাকিস্তান-বাংলাদেশ জ্ঞান বিনিময় করিডোর ও অ্যাডুকেশন এক্সপো ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ৫৫ বছর, আর পাকিস্তান স্বাধীন হয়েছে ৭০ বছর। স্টলগুলো ঘুরে আমার মনে হলো—সমগ্র পাকিস্তান ঘুরে এসেছি। তাদের শিক্ষায় যে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে তাতে আমি সত্যি অভিভূত।তিনি আরও বলেন, তাদের শিক্ষাব্যবস্থা অনেক এগিয়ে গিয়েছে। আমি তাদের স্বাগত জানাই, যে তারা বাংলাদেশে এসে আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীদের তাদের দেশে ফুল স্কলারশিপ দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।এহসানুল হক মিলন বলেন, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষা-ব্যবস্থা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অত্যন্ত চমৎকার। সেই জায়গায় আমাদের শিক্ষার্থীরা যাবে, এ জন্য আমি তাদেরকে আন্তরিকভাবে মোবারকবাদ জানাই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের সঙ্গে পাকিস্তানের কালচারের মিল রয়েছে। খাবার-ধর্মে মিল রয়েছে; অতএব আমাদের শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে সুন্দর থাকতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস রয়েছে। যে পরিমাণ স্কলারশিপ তারা দিচ্ছে—শিক্ষার্থীরা সেখানে সুন্দরভাবে লেখাপড়া করতে পারবে।

একই সঙ্গে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশি হিসেবে চাইবো আমাদের দেশেও আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এইভাবে উন্নতি সাধন করুক। এবং বিদেশি শিক্ষার্থীরা আসুক আমাদের দেশে। এই গ্লোবাল ভিলেজে আমরা যেন সকলেই শিক্ষায় মানোন্নয়ন করতে পারি এবং এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশ সম্পদে ভরপুর। আমাদের এই তরুণরা রয়েছে ৬৫ শতাংশের বেশি। আমাদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড তাদের পরিশোধ করতে হবে। অতএব আমরা বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা অবদান রাখবো। এই অঙ্গীকার আজকে এখানে এসে আবারো করছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা যথাসাধ্য কাজ করছি। তবে পাকিস্তানের উন্নয়ন দেখে আমি অভিভূত হয়েছি। এবং আমি গর্বিত মনে করছি যে তারা অনেক এগিয়ে গিয়েছে।

আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের যে শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে যাবে তারা সেখানে গিয়ে আমাদের মানসম্মান রক্ষা করবে এবং সুন্দরভাবে লেখাপড়া শেষ করে আসবে। সারা বিশ্বে শিক্ষার মানদণ্ডে তারা নিজেদের শীর্ষস্থান অধিকার করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিক্ষায় পাকিস্তানের অগ্রগতিতে মুগ্ধ শিক্ষামন্ত্রী, ‘আমি সত্যিই অভিভূত’

আপডেট সময় : ১০:০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পাকিস্তানের শিক্ষা খাতে উন্নয়ন ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার প্রশংসা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশটির অগ্রগতি তাকে সত্যিই অভিভূত করেছে।শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক মানে এগিয়ে গেছে এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল স্কলারশিপের সুযোগ তৈরি হওয়া অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ।সোমবার (১১ মে) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত পাকিস্তান-বাংলাদেশ জ্ঞান বিনিময় করিডোর ও অ্যাডুকেশন এক্সপো ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি ৫৫ বছর, আর পাকিস্তান স্বাধীন হয়েছে ৭০ বছর। স্টলগুলো ঘুরে আমার মনে হলো—সমগ্র পাকিস্তান ঘুরে এসেছি। তাদের শিক্ষায় যে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে তাতে আমি সত্যি অভিভূত।তিনি আরও বলেন, তাদের শিক্ষাব্যবস্থা অনেক এগিয়ে গিয়েছে। আমি তাদের স্বাগত জানাই, যে তারা বাংলাদেশে এসে আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীদের তাদের দেশে ফুল স্কলারশিপ দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।এহসানুল হক মিলন বলেন, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শিক্ষা-ব্যবস্থা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অত্যন্ত চমৎকার। সেই জায়গায় আমাদের শিক্ষার্থীরা যাবে, এ জন্য আমি তাদেরকে আন্তরিকভাবে মোবারকবাদ জানাই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের সঙ্গে পাকিস্তানের কালচারের মিল রয়েছে। খাবার-ধর্মে মিল রয়েছে; অতএব আমাদের শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে সুন্দর থাকতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস রয়েছে। যে পরিমাণ স্কলারশিপ তারা দিচ্ছে—শিক্ষার্থীরা সেখানে সুন্দরভাবে লেখাপড়া করতে পারবে।

একই সঙ্গে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশি হিসেবে চাইবো আমাদের দেশেও আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এইভাবে উন্নতি সাধন করুক। এবং বিদেশি শিক্ষার্থীরা আসুক আমাদের দেশে। এই গ্লোবাল ভিলেজে আমরা যেন সকলেই শিক্ষায় মানোন্নয়ন করতে পারি এবং এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশ সম্পদে ভরপুর। আমাদের এই তরুণরা রয়েছে ৬৫ শতাংশের বেশি। আমাদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড তাদের পরিশোধ করতে হবে। অতএব আমরা বাংলাদেশে শিক্ষাক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা অবদান রাখবো। এই অঙ্গীকার আজকে এখানে এসে আবারো করছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা যথাসাধ্য কাজ করছি। তবে পাকিস্তানের উন্নয়ন দেখে আমি অভিভূত হয়েছি। এবং আমি গর্বিত মনে করছি যে তারা অনেক এগিয়ে গিয়েছে।

আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের যে শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে যাবে তারা সেখানে গিয়ে আমাদের মানসম্মান রক্ষা করবে এবং সুন্দরভাবে লেখাপড়া শেষ করে আসবে। সারা বিশ্বে শিক্ষার মানদণ্ডে তারা নিজেদের শীর্ষস্থান অধিকার করবে।