ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপালী ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট এমডি অভিযোগ মোকাবেলায় ব্যার্থ হয়ে ঢাকার বাইরে বদলী করলেন জিয়া পরিষদের শীর্ষ তিন নেতাকে।

  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্মারকলিপি প্রদানের পর দেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পরপরই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কোন প্রকার অভিযোগ খন্ডানোর তোয়াক্কা না করে সংক্ষুব্ধ হয়ে জিয়া পরিষদ, রূপালী ব্যাংক পিএলসি কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ তিন নেতা আহবায়ক মোঃ গোলাম সরোয়ারকে ফরিদপুর, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এএসএম. নিয়াজ মোশের্দকে ময়মনসিংহ এবং সদস্য সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীকে কুমিল্লায় তাৎক্ষণিক বদলী অর্ডার করেছেন। ১১ জনের ঐ বদলী আদেশে অন্য সবাইকে জুন মাসের ১৮ তারিখে মধ্যে ছাড়পত্র প্রদানের কথা উল্লেখ থাকলেও এই নেতৃবৃন্দকে তাৎক্ষণিক বদলী করেন। অন্যদিকে এই আদেশেই আওয়ামীপন্থী স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ এর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক মীর আবু নাসের জয়কে মতিঝিল কর্পোরেট শাখায় বদলী করেছেন।

জুলাই হত্যা মামলার অন্যতম আসামি, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম এখনো রাষ্ট্রায়ত্ব রুপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকায় রুপালী ব্যাংক জাতীয়তাবাদী আদর্শের নেতৃবৃন্দ এবং ফ্যাসিজম বিরোধী কর্মকর্তাদের পক্ষে রূপালী ব্যাংক পিএলসি, জিয়া পরিষদ কর্তৃক এক লিখিত অভিযোগে গত ৪ জুন অর্থমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছিলেন।

স্মারকলিপিতে আনিত অভিযোগের সারসংক্ষেপঃ
★ যা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অদূরদর্শী, অদক্ষতা ও সীমাহীন দুর্নীতির ফলাফল হিসাবে ব্যাংকটিকে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার লোখসানের মুখে পতিত;
★জুলাই হত্যা মামলার আসামী;
★ বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ;
★ ফ্যাসিবাদকে অর্থায়ন;
★ দায়িত্ব নিয়েই বিএনপি সহ সকল ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিকে দূর দূরান্তে বদলি ও প্রমোশন বঞ্চিত করণসহ নানাভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে হয়রানির শিকার;
★ রূপালী ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে চরম অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম দূর্নীতি;
★ ক্রীড়া পরিষদের নামে অর্থ উত্তোলন;
★ ফ্যাসিবাদী সরকারের অনুসারীদের পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন করা হয়েছে।

জুলাই হত্যা মামলার অন্যতম আসামী, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কাজী ওয়াহিদুল ইসলামকে রাষ্ট্রায়ত্ব রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সাথে সাথে তারা ১৫ বছরে পূর্ণ অবসর সুবিধাদি প্রদানের নীতিমালা গ্রহণপূর্বক সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদ প্রভাবমুক্ত করে ব্যাংকের প্রশাসনিক কাঠামো পূনর্গঠনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের পরিক্ষিত কর্মকর্তাদের যথোপযুক্ত স্থানে পদায়ন করে গণহত্যাকারী আওয়ামী প্রেতাত্মাদের অপসারণ ও বিচারের দাবী জানান।

গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে ব্যাংকে গণহত্যাকারী আওয়ামী প্রেতাত্মাদের নির্মূল ও বিচারের নিমিত্তে অনতিবিলম্বে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উল্লিখিত দাবীসমূহ বাস্তবায়নের জোর দাবীও জানিয়েছিলেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বদলী আদেশটি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রূপালী ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট এমডি অভিযোগ মোকাবেলায় ব্যার্থ হয়ে ঢাকার বাইরে বদলী করলেন জিয়া পরিষদের শীর্ষ তিন নেতাকে।

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্মারকলিপি প্রদানের পর দেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পরপরই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কোন প্রকার অভিযোগ খন্ডানোর তোয়াক্কা না করে সংক্ষুব্ধ হয়ে জিয়া পরিষদ, রূপালী ব্যাংক পিএলসি কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ তিন নেতা আহবায়ক মোঃ গোলাম সরোয়ারকে ফরিদপুর, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এএসএম. নিয়াজ মোশের্দকে ময়মনসিংহ এবং সদস্য সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীকে কুমিল্লায় তাৎক্ষণিক বদলী অর্ডার করেছেন। ১১ জনের ঐ বদলী আদেশে অন্য সবাইকে জুন মাসের ১৮ তারিখে মধ্যে ছাড়পত্র প্রদানের কথা উল্লেখ থাকলেও এই নেতৃবৃন্দকে তাৎক্ষণিক বদলী করেন। অন্যদিকে এই আদেশেই আওয়ামীপন্থী স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ এর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সাধারণ সম্পাদক মীর আবু নাসের জয়কে মতিঝিল কর্পোরেট শাখায় বদলী করেছেন।

জুলাই হত্যা মামলার অন্যতম আসামি, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম এখনো রাষ্ট্রায়ত্ব রুপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকায় রুপালী ব্যাংক জাতীয়তাবাদী আদর্শের নেতৃবৃন্দ এবং ফ্যাসিজম বিরোধী কর্মকর্তাদের পক্ষে রূপালী ব্যাংক পিএলসি, জিয়া পরিষদ কর্তৃক এক লিখিত অভিযোগে গত ৪ জুন অর্থমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছিলেন।

স্মারকলিপিতে আনিত অভিযোগের সারসংক্ষেপঃ
★ যা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের অদূরদর্শী, অদক্ষতা ও সীমাহীন দুর্নীতির ফলাফল হিসাবে ব্যাংকটিকে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার লোখসানের মুখে পতিত;
★জুলাই হত্যা মামলার আসামী;
★ বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ;
★ ফ্যাসিবাদকে অর্থায়ন;
★ দায়িত্ব নিয়েই বিএনপি সহ সকল ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিকে দূর দূরান্তে বদলি ও প্রমোশন বঞ্চিত করণসহ নানাভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে হয়রানির শিকার;
★ রূপালী ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে চরম অব্যবস্থাপনা ও অনিয়ম দূর্নীতি;
★ ক্রীড়া পরিষদের নামে অর্থ উত্তোলন;
★ ফ্যাসিবাদী সরকারের অনুসারীদের পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পদায়ন করা হয়েছে।

জুলাই হত্যা মামলার অন্যতম আসামী, বঙ্গবন্ধু প্রকৌশল পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কাজী ওয়াহিদুল ইসলামকে রাষ্ট্রায়ত্ব রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সাথে সাথে তারা ১৫ বছরে পূর্ণ অবসর সুবিধাদি প্রদানের নীতিমালা গ্রহণপূর্বক সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদ প্রভাবমুক্ত করে ব্যাংকের প্রশাসনিক কাঠামো পূনর্গঠনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের পরিক্ষিত কর্মকর্তাদের যথোপযুক্ত স্থানে পদায়ন করে গণহত্যাকারী আওয়ামী প্রেতাত্মাদের অপসারণ ও বিচারের দাবী জানান।

গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে ব্যাংকে গণহত্যাকারী আওয়ামী প্রেতাত্মাদের নির্মূল ও বিচারের নিমিত্তে অনতিবিলম্বে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য উল্লিখিত দাবীসমূহ বাস্তবায়নের জোর দাবীও জানিয়েছিলেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বদলী আদেশটি করেন।