ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে গেলেন ভোলা টেলিকমের কর্ণধার মাহমুদুল হাসান সুমন

  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ শাফায়েত হোসেন:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার পরিচিত ব্যবসায়ী ও ভোলা টেলিকমের কর্ণধার মাহমুদুল হাসান সুমন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
গতরাতে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে ঢাকা উদ্যান এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহমুদুল হাসান সুমন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা উদ্যান মেইন সড়কে ভোলা টেলিকম নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। একই সঙ্গে তিনি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান।
তবে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসার সময় তাকে কী ধরনের ইনজেকশন বা ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল, সেটি দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থায় কোনো পরিবর্তন হয়েছিল কি না—এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে এসব অভিযোগের কোনোটি এখনো নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়। চিকিৎসকের ভুল, ওষুধ বা ইনজেকশনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
মাহমুদুল হাসান সুমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল, চিকিৎসক এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে বিষয়টি অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভোলা টেলিকমের মালিকপক্ষ ও পরিবারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
যদি তদন্তে কোনো ধরনের চিকিৎসাগত গাফিলতি বা ভুল চিকিৎসার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অন্যদিকে, মাহমুদুল হাসান সুমনের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী,চিকিৎসাজনিত কোনো জটিলতা, নাকি অন্য কোনো কারণ,তা নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা নথি পর্যালোচনার পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে গেলেন ভোলা টেলিকমের কর্ণধার মাহমুদুল হাসান সুমন

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ শাফায়েত হোসেন:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকার পরিচিত ব্যবসায়ী ও ভোলা টেলিকমের কর্ণধার মাহমুদুল হাসান সুমন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
গতরাতে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে ঢাকা উদ্যান এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহমুদুল হাসান সুমন দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা উদ্যান মেইন সড়কে ভোলা টেলিকম নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। একই সঙ্গে তিনি মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান।
তবে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন প্রশ্ন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে চিকিৎসার সময় তাকে কী ধরনের ইনজেকশন বা ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল, সেটি দেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থায় কোনো পরিবর্তন হয়েছিল কি না—এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে এসব অভিযোগের কোনোটি এখনো নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়। চিকিৎসকের ভুল, ওষুধ বা ইনজেকশনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
মাহমুদুল হাসান সুমনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল, চিকিৎসক এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে বিষয়টি অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভোলা টেলিকমের মালিকপক্ষ ও পরিবারের বক্তব্য নেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
যদি তদন্তে কোনো ধরনের চিকিৎসাগত গাফিলতি বা ভুল চিকিৎসার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অন্যদিকে, মাহমুদুল হাসান সুমনের আকস্মিক মৃত্যুতে তার পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী,চিকিৎসাজনিত কোনো জটিলতা, নাকি অন্য কোনো কারণ,তা নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা নথি পর্যালোচনার পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।