কূটনীতিকদের সম্মানে খেলাফত মজলিসের ‘ডিপ্লোম্যাটিক ইভনিং-২০২৬’
- আপডেট সময় : ০৬:০৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের সম্মানে রাজধানীর শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে ‘এক ডিপ্লোম্যাটিক ইভনিং-২০২৬’ শীর্ষক নৈশভোজের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
সোমবার (৫ অক্টোবর) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও জাতীয় সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে জার্মানি, ইরান, সিঙ্গাপুর, ইরাক, মালদ্বীপ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ রাশিয়া, জাপান, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, আর্জেন্টিনা ও ব্রুনাইয়ের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ইতিহাস, ভিশন, মিশন, ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার এবং সামাজিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে সংগঠনের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়।
এ সময় সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।
সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক দলের নৈতিক দর্শন, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও নারীর অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, অর্থনীতি এবং পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন।
পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
তাই প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্য বাণিজ্য ও মানবিক সংলাপের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
কোনো নির্দিষ্ট শক্তি বা বলয়ের পক্ষপাতী না হয়ে জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক সম্মান ও ভারসাম্যের ভিত্তিতে স্বাধীন ও উন্মুক্ত পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাসী খেলাফত মজলিস।
সংখ্যালঘু ও নারীর অধিকার প্রসঙ্গে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দলের সনদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকারের নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে।
একইভাবে নারীর ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় দলটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ ও মুক্ত গণমাধ্যম ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং জবাবদিহিমূলক সরকারের অপরিহার্য পূর্বশর্ত।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আন্তর্জাতিক ক্বারী মাওলানা আহমদ বিন ইউসুফ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অভিভাবক পরিষদের সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সদস্য এবং বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।





















