ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরেই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাব: প্রতিমন্ত্রী টুকু

  • আপডেট সময় : ১১:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরেই আমরা দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবার আগে বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে কাজ করছেন। আমরা চাই এই দেশটি উন্নত হোক, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হোক। দেশের উন্নয়ন হলে, সবার উন্নয়ন হবে।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে মাদারীপুরের শিবচরে চরজানাজাত ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতা সভা ও জেলে পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিবচর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ ও জিআই পণ্য। ইলিশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, এটি আমাদের সবার দায়িত্ব। সম্মিলিতভাবে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করতে পারলে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে এবং জেলেরা দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল ভোগ করবেন।ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। যেকোনো মূল্যে হোক নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ ধরা বন্ধ করতে হবে। ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ রয়েছে।এ সময়ে কেউ যাতে নদীতে ইলিশ ধরতে না পারে, সেজন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও দেন তিনি।

টুকু বলেন, মাদারীপুর ইলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এই পদ্মা নদীতে সুস্বাদু রুপালি ইলিশ পাওয়া যায়। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে এর সুফল সবচেয়ে বেশি পাবেন জেলেরাই। তাই মাত্র ২২ দিনের এই কষ্টকে ভবিষ্যতের সম্পদ হিসেবে দেখতে হবে। ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে এবং এর মাধ্যমে জেলেদের আয় ও সম্পদের পরিমাণও বাড়বে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলাশয় উন্মুক্ত থাকবে, ‘জাল যার, জলা তার’। আমরা জেলেদের পাশে আছি এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কাজ করছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলে পরিবারগুলোর খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার ভিজিএফের চাল বিতরণ করছে।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা। আরও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. ফজলে এলাহী, মৎস্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাবীব খান এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার।

এ সময় শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম ইবনে মিজান, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ জেলে ও ভিজিএফের উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে ১৫১ জেলে পরিবারের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে সরকারি সহায়তার ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরেই মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাব: প্রতিমন্ত্রী টুকু

আপডেট সময় : ১১:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরেই আমরা দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সবার আগে বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে কাজ করছেন। আমরা চাই এই দেশটি উন্নত হোক, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হোক। দেশের উন্নয়ন হলে, সবার উন্নয়ন হবে।বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে মাদারীপুরের শিবচরে চরজানাজাত ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতা সভা ও জেলে পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিবচর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অফিস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ ও জিআই পণ্য। ইলিশ রক্ষার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, এটি আমাদের সবার দায়িত্ব। সম্মিলিতভাবে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করতে পারলে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে এবং জেলেরা দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল ভোগ করবেন।ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। যেকোনো মূল্যে হোক নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ ধরা বন্ধ করতে হবে। ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ রয়েছে।এ সময়ে কেউ যাতে নদীতে ইলিশ ধরতে না পারে, সেজন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও দেন তিনি।

টুকু বলেন, মাদারীপুর ইলিশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এই পদ্মা নদীতে সুস্বাদু রুপালি ইলিশ পাওয়া যায়। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে এর সুফল সবচেয়ে বেশি পাবেন জেলেরাই। তাই মাত্র ২২ দিনের এই কষ্টকে ভবিষ্যতের সম্পদ হিসেবে দেখতে হবে। ২২ দিন ইলিশ ধরা বন্ধ রাখলে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে এবং এর মাধ্যমে জেলেদের আয় ও সম্পদের পরিমাণও বাড়বে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলাশয় উন্মুক্ত থাকবে, ‘জাল যার, জলা তার’। আমরা জেলেদের পাশে আছি এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কাজ করছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলে পরিবারগুলোর খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার ভিজিএফের চাল বিতরণ করছে।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা। আরও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. ফজলে এলাহী, মৎস্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাবীব খান এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার।

এ সময় শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম ইবনে মিজান, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ জেলে ও ভিজিএফের উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে ১৫১ জেলে পরিবারের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে সরকারি সহায়তার ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়।