ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় সরকারী গাছ আত্মসাতের অভিযোগ, নিরব ভূমিকায় কর্তৃপক্ষ

  • আপডেট সময় : ১০:১৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ ৩২৪ বার পড়া হয়েছে

কেপিসি নিউজ ডেস্ক: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবৈধভাবে সরকারী গাছ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর চৌকিদারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। সে প্রায় কয়েকশ সরকারী গাছ তার ব্যক্তিগত পুকুরে ব্যবহার করেছে। মহিপুর রেঞ্জ অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসজাসে এধরনের কাজ করতে পারছে বলে স্থানীয়রা ধারনা করছেন। এমনকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলেও অজানা কারনে নিরব ভূমিকায় রয়েছে তারা। মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা দীর্ঘ বছর ধরে একই স্থানে থাকায় এমনটি হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অভিযুক্ত জাহাঙ্গির চৌকিদারের বাড়ির পুকুরের চারপাশে সরকারী বিভিন্ন প্রজাতীর গাছ কুপে রেখেছে। ওই গাছ দিয়ে সে তার পুকুরের চারপাশ ভরাট করছে। কিভাবে এই সরকারী গাছ ব্যবহার করছে তার কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তবে, ফরেষ্ট অফিসারদের ম্যানেজ করেই এ গাছগুলো ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া, বর্তমান রেঞ্জ অফিসার দীর্ঘ বছর ধরে একই স্থানে থাকায় অনেকের সাথেই তার সখ্যতা গড়ে ওঠেছে। ফলে, অনেকেই তার কাছ থেকে অবৈধ সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা।

নাম না বলার শর্তে স্থানীয় একাধিক লোক জানান, অভিয্ক্তু জাহাঙ্গির চৌকিদারসহ আরো অনেকেই সরকারী এ গাছগুলো বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছে। ফরেষ্ট অফিসারদের জানিয়েও কোন কাজ হয়না। তাদের ম্যানেজ করেই এগুলো করা হয়।

অভিয্ক্তু জাহাঙ্গির চৌকিদারের মোবাইলে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম’র কাছে জানতে চাইলে বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলাপাড়ায় সরকারী গাছ আত্মসাতের অভিযোগ, নিরব ভূমিকায় কর্তৃপক্ষ

আপডেট সময় : ১০:১৫:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

কেপিসি নিউজ ডেস্ক: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবৈধভাবে সরকারী গাছ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর চৌকিদারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। সে প্রায় কয়েকশ সরকারী গাছ তার ব্যক্তিগত পুকুরে ব্যবহার করেছে। মহিপুর রেঞ্জ অফিসের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসজাসে এধরনের কাজ করতে পারছে বলে স্থানীয়রা ধারনা করছেন। এমনকি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করলেও অজানা কারনে নিরব ভূমিকায় রয়েছে তারা। মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা দীর্ঘ বছর ধরে একই স্থানে থাকায় এমনটি হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অভিযুক্ত জাহাঙ্গির চৌকিদারের বাড়ির পুকুরের চারপাশে সরকারী বিভিন্ন প্রজাতীর গাছ কুপে রেখেছে। ওই গাছ দিয়ে সে তার পুকুরের চারপাশ ভরাট করছে। কিভাবে এই সরকারী গাছ ব্যবহার করছে তার কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তবে, ফরেষ্ট অফিসারদের ম্যানেজ করেই এ গাছগুলো ব্যবহার হচ্ছে। এছাড়া, বর্তমান রেঞ্জ অফিসার দীর্ঘ বছর ধরে একই স্থানে থাকায় অনেকের সাথেই তার সখ্যতা গড়ে ওঠেছে। ফলে, অনেকেই তার কাছ থেকে অবৈধ সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে এমনটাই মনে করছেন স্থানীয়রা।

নাম না বলার শর্তে স্থানীয় একাধিক লোক জানান, অভিয্ক্তু জাহাঙ্গির চৌকিদারসহ আরো অনেকেই সরকারী এ গাছগুলো বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করছে। ফরেষ্ট অফিসারদের জানিয়েও কোন কাজ হয়না। তাদের ম্যানেজ করেই এগুলো করা হয়।

অভিয্ক্তু জাহাঙ্গির চৌকিদারের মোবাইলে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম’র কাছে জানতে চাইলে বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।