নির্বাচনে স্বৈরাচার ও তাদের দোসর প্রত্যাখ্যাত হয়েছে : আখতার হোসেন
- আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনের ঐক্যের বিজয়ী প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আওয়ামী লীগও রাজনৈতিকভাবে অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টার দিকে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণার পর রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।আখতার হোসেন বলেন, ‘আমরা একটি জিনিস আপনাদের খুব জোরালোভাবে বলতে চাই। এবার রংপুরের ছয়টি আসনে ১১ দলীয় জোট একটি আসনে শাপলা কলি এবং পাঁচটি আসনে দাঁড়িপাল্লার বিজয়ের মধ্য দিয়ে এবারের যে নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যেমন একদিকে আওয়ামী লীগ একবারে নেই হয়ে গেছে, জাতীয় পার্টিও কিন্তু এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা ৫ আগস্ট যেমন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, ১২ ফেব্রুয়ারি রংপুরের জনগণ জাতীয় পার্টিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই স্বৈরাচারের দোসরদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এটা আমাদের কাছে একটা বড় ধরনের বিজয়।এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, ‘সারা দেশের নির্বাচনে কোথাও কারচুপি, কোথাও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব বিষয়ে আমাদের দল ও জোট পর্যালোচনা করছে। শিগগির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হবে।’
নির্বাচন নিয়ে আখতার হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে বিভিন্ন জায়গায় কারচুপি হয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় মারামারি হয়েছে, মানুষের রক্ত ঝরেছে। এই প্রত্যেকটা বিষয় নিয়ে আমাদের পর্যালোচনা চলছে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে আমরা আলোচনা করছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এবং জোটের পক্ষ থেকেও আমরা সেই আনুষ্ঠানিক বিবৃতিগুলো আপনাদের কাছে উপস্থাপন করব।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুরের ছয়টি আসনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে ১১ দলীয় নির্বাচনের ঐক্যের প্রার্থীরা। এতে জামায়াতে ইসলামীর ৫ জন ও এনসিপির এক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষ প্রতীকে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট পান।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন, রংপুর-৪ আসনে বর্তমানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ জন। দুই উপজেলার ১৬৩টি ভোটকেন্দ্রের ৯৪৪টি বুথে ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩১৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তার মধ্যে ৮ হাজার ২৬৩টি ভোট বাতিল হয়। বৈধ ভোট সংখ্যা ৩ লাখ ৩০ হাজার ৫১ জন। এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত হয়।



















