ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্র নীতিতে ফেরত যাচ্ছি

  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সম্মান-মর্যাদা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হবে। সরকার পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ডে একতরফা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না, বরং জাতীয় স্বার্থ পাই পাই করে বুঝে নেবে এবং তা পুরোপুরি রক্ষা করবে। তিনি বলেন, এক হিসেবে আমরা মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফিরে যাচ্ছি।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সফররত নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালানন্দ শর্মার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, আমি যখন ফরেন অ্যাফেয়ার্সে জয়েন করি, তার তিনটি অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপের কথা আমার মনে পড়ে। ১৯৭৪ সালে আমরা জাতিসংঘের সদস্যপদ পাই। তার চার বছরের মধ্যে তিনি আমাদের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদে নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং জাপানের মতো একটা শক্তিকে পরাজিত করে আমরা সে নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলাম।

তিনি বলেন, দ্বিতীয়ত ছিল সার্ক। সবচেয়ে আনকানেক্টেড একটা অঞ্চলে তিনি এই কানেক্টিভিটির কথা বলেছেন এবং সার্ককে প্রতিষ্ঠার যে বড় বড় কাজ তিনি করে গেছেন। তৃতীয়ত, আঞ্চলিক শান্তি, বিশ্বশান্তি রক্ষায় আলকুদস কমিটিতে তার ভূমিকা মানে আমাদের ফরেন পলিসি শুধু ইতিবাচকই না, অনেক বিস্তৃত ছিল; আমরা সেই জায়গায় ফেরত যেতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্র নীতিতে ফেরত যাচ্ছি

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সম্মান-মর্যাদা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালিত হবে। সরকার পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ডে একতরফা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না, বরং জাতীয় স্বার্থ পাই পাই করে বুঝে নেবে এবং তা পুরোপুরি রক্ষা করবে। তিনি বলেন, এক হিসেবে আমরা মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফিরে যাচ্ছি।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সফররত নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালানন্দ শর্মার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, আমি যখন ফরেন অ্যাফেয়ার্সে জয়েন করি, তার তিনটি অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপের কথা আমার মনে পড়ে। ১৯৭৪ সালে আমরা জাতিসংঘের সদস্যপদ পাই। তার চার বছরের মধ্যে তিনি আমাদের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদে নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং জাপানের মতো একটা শক্তিকে পরাজিত করে আমরা সে নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলাম।

তিনি বলেন, দ্বিতীয়ত ছিল সার্ক। সবচেয়ে আনকানেক্টেড একটা অঞ্চলে তিনি এই কানেক্টিভিটির কথা বলেছেন এবং সার্ককে প্রতিষ্ঠার যে বড় বড় কাজ তিনি করে গেছেন। তৃতীয়ত, আঞ্চলিক শান্তি, বিশ্বশান্তি রক্ষায় আলকুদস কমিটিতে তার ভূমিকা মানে আমাদের ফরেন পলিসি শুধু ইতিবাচকই না, অনেক বিস্তৃত ছিল; আমরা সেই জায়গায় ফেরত যেতে চাই।