ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজে ফাঁদ পেতে টাকা চাইছে প্রতারকরা, সতর্ক করল মারিস্ক

  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

হরমুজ প্রণালি পার করে দেওয়ার নামে প্রতারণার ফাঁদে পড়তে পারেন নৌযান মালিকরা— এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে একটি নিরাপত্তা কোম্পানি।

গ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মারিস্ক জানিয়েছে, কিছু প্রতারক নিজেদের ইরানি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে জাহাজ কোম্পানিগুলোর কাছে বার্তা পাঠাচ্ছে। তারা দাবি করছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি (বিটকয়েন বা টেদার) দিলে নিরাপদে হরমুজ প্রণালি পার করে দেওয়া হবে।

প্রতারকদের পাঠানো বার্তায় বলা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পর নির্দিষ্ট ফি নিলে নির্ধারিত সময়ে জাহাজগুলোকে প্রণালি পার হতে দেওয়া হবে। তবে মারিস্ক স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এসব বার্তা সম্পূর্ণ ভুয়া এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং ইরানের নিয়ন্ত্রণের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। এতে উপসাগর এলাকায় শত শত জাহাজ এবং হাজারের বেশি নাবিক আটকা পড়ে আছে।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হতো। তাই এই পথের ওপর বৈশ্বিক বাণিজ্যের বড় নির্ভরতা রয়েছে।

মারিস্কের মতে, ইতোমধ্যে অন্তত একটি জাহাজ এই ভুয়া প্রস্তাবের ফাঁদে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হরমুজে ফাঁদ পেতে টাকা চাইছে প্রতারকরা, সতর্ক করল মারিস্ক

আপডেট সময় : ০৯:১৭:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি পার করে দেওয়ার নামে প্রতারণার ফাঁদে পড়তে পারেন নৌযান মালিকরা— এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে একটি নিরাপত্তা কোম্পানি।

গ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মারিস্ক জানিয়েছে, কিছু প্রতারক নিজেদের ইরানি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে জাহাজ কোম্পানিগুলোর কাছে বার্তা পাঠাচ্ছে। তারা দাবি করছে, ক্রিপ্টোকারেন্সি (বিটকয়েন বা টেদার) দিলে নিরাপদে হরমুজ প্রণালি পার করে দেওয়া হবে।

প্রতারকদের পাঠানো বার্তায় বলা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের পর নির্দিষ্ট ফি নিলে নির্ধারিত সময়ে জাহাজগুলোকে প্রণালি পার হতে দেওয়া হবে। তবে মারিস্ক স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এসব বার্তা সম্পূর্ণ ভুয়া এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং ইরানের নিয়ন্ত্রণের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। এতে উপসাগর এলাকায় শত শত জাহাজ এবং হাজারের বেশি নাবিক আটকা পড়ে আছে।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন হতো। তাই এই পথের ওপর বৈশ্বিক বাণিজ্যের বড় নির্ভরতা রয়েছে।

মারিস্কের মতে, ইতোমধ্যে অন্তত একটি জাহাজ এই ভুয়া প্রস্তাবের ফাঁদে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি বার্তাসংস্থা রয়টার্স।