ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই দশক পর সিসিএস দপ্তরে শুরু সংস্কার কাজ, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

  • আপডেট সময় : ০৫:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

প্রায় দুই দশক পর বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চিফ কন্ট্রোলার অব স্টোরস (সিসিএস) দপ্তরের অবকাঠামোগত সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। তবে সংস্কার কাজ চলাকালীন শুক্রবার মধ্যরাতে নগরীর পাহাড়তলীতে অবস্থিত কার্যালয়টিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আগুনে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও পুরোনো কিছু কাগজপত্র পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় জেলা সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (ক্রয়-১) মো. আরিফুজ্জামান শিকদারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক বেলাল হোসেন সরকার জানান, যেখানে আগুন লেগেছে সেখানে প্রয়োজনীয় কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল না। সংস্কার কাজের জন্য আগেই সেখান থেকে জরুরি নথিপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে তদন্ত কমিটি কাজ করবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সিসিএস ভবনের উপরের টিনে চলমান ওয়েল্ডিং কাজের ফুলকি অথবা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।এতে পূর্বের আইবি সেকশনের পেছনে রাখা কিছু পুরোনো কাগজপত্র ও স্ক্র্যাপ পুড়ে যায়।
সংস্কার কাজ শুরু হওয়ার আগে প্রায় এক মাস আগে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রসহ অধিকাংশ অফিস সরঞ্জাম সাময়িকভাবে শিপিং দপ্তরে স্থানান্তর করা হয়েছিল। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সিসিএস দপ্তর রেলওয়ের মালামাল ক্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম কেন্দ্র।

এ দপ্তরের অধীনে চ-১ থেকে চ-৭ পর্যন্ত একাধিক ক্রয় বিভাগ, শিপিং সেকশন, ইন্সপেকশন বিভাগ এবং গোডাউন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দেশের রেল ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় অধিকাংশ মালামাল ক্রয়, গ্রহণ, সংরক্ষণ ও বিভিন্ন দপ্তরে সরবরাহের কাজ এখান থেকেই সম্পন্ন হয়।
দীর্ঘদিন অবকাঠামোগত সংস্কার না হওয়ায় ভবনটির অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণ নিয়েও উদ্বেগ ছিল। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে দপ্তরটির সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংস্কার কাজ শেষ হলে কর্মপরিবেশ উন্নত হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মালামাল সংরক্ষণেও নিরাপত্তা বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দুই দশক পর সিসিএস দপ্তরে শুরু সংস্কার কাজ, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

আপডেট সময় : ০৫:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

প্রায় দুই দশক পর বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চিফ কন্ট্রোলার অব স্টোরস (সিসিএস) দপ্তরের অবকাঠামোগত সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। তবে সংস্কার কাজ চলাকালীন শুক্রবার মধ্যরাতে নগরীর পাহাড়তলীতে অবস্থিত কার্যালয়টিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

আগুনে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও পুরোনো কিছু কাগজপত্র পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় জেলা সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (ক্রয়-১) মো. আরিফুজ্জামান শিকদারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক বেলাল হোসেন সরকার জানান, যেখানে আগুন লেগেছে সেখানে প্রয়োজনীয় কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিল না। সংস্কার কাজের জন্য আগেই সেখান থেকে জরুরি নথিপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে তদন্ত কমিটি কাজ করবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সিসিএস ভবনের উপরের টিনে চলমান ওয়েল্ডিং কাজের ফুলকি অথবা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।এতে পূর্বের আইবি সেকশনের পেছনে রাখা কিছু পুরোনো কাগজপত্র ও স্ক্র্যাপ পুড়ে যায়।
সংস্কার কাজ শুরু হওয়ার আগে প্রায় এক মাস আগে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রসহ অধিকাংশ অফিস সরঞ্জাম সাময়িকভাবে শিপিং দপ্তরে স্থানান্তর করা হয়েছিল। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, সিসিএস দপ্তর রেলওয়ের মালামাল ক্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম কেন্দ্র।

এ দপ্তরের অধীনে চ-১ থেকে চ-৭ পর্যন্ত একাধিক ক্রয় বিভাগ, শিপিং সেকশন, ইন্সপেকশন বিভাগ এবং গোডাউন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দেশের রেল ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় অধিকাংশ মালামাল ক্রয়, গ্রহণ, সংরক্ষণ ও বিভিন্ন দপ্তরে সরবরাহের কাজ এখান থেকেই সম্পন্ন হয়।
দীর্ঘদিন অবকাঠামোগত সংস্কার না হওয়ায় ভবনটির অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণ নিয়েও উদ্বেগ ছিল। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে দপ্তরটির সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সংস্কার কাজ শেষ হলে কর্মপরিবেশ উন্নত হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মালামাল সংরক্ষণেও নিরাপত্তা বাড়বে।