ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর যখন টালিপাড়ার অলিগলি থেকে স্টুডিও পাড়া,সবই রাজনৈতিক রঙে রঙিন, যখন কেউ জয়ের উল্লাসে মত্ত, আর কেউ বা পরাজয়ের গ্লানিতে বিদ্রুপের বাণ ছুড়ছেন, ঠিক তখনই নিস্তব্ধতা ভেঙে গর্জে উঠলেন টালিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার (৫ মে) তার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট যেন বিনোদন জগতে সৃষ্টি হওয়া গুঞ্জন এক লহমায় গুঁড়িয়ে দিল। স্পষ্ট ভাষায় অভিনেতা জানিয়ে দিলেন, রাজনীতির এই কাদা ছোড়াছুড়ি বা ক্ষমতার অলিন্দে তার কোনো ঠাঁই নেই।ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারিতে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পর বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার প্রসেনজিতের বাড়িতে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেই থেকেই ফিসফাস শুরু। এরপর শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ সোমবার দাবি করেন, জয়ের পর টলিপাড়ার একঝাঁক তারকার সঙ্গে তার কথা হয়েছে।সেই তালিকায় সৃজিত মুখার্জি কিংবা কৌশিক গাঙ্গুলীর পাশাপাশি ছিল প্রসেনজিতের নামও। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে, তবে কি প্রসেনজিৎ এবার গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন?

গুঞ্জন যখন চরমে ঠিক তখনই মুখ খুললেন অভিনেতা নিজেই। এ বিষয়ে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছি এবং আগামিদিনেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ, দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রং লাগাবেন না।’এদিকে রুদ্রনীলকে ফোন করার বিষয়ে প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ‘আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমায়। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি কেবল সেটুকুই পালন করেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগসূত্র নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে যা বললেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর যখন টালিপাড়ার অলিগলি থেকে স্টুডিও পাড়া,সবই রাজনৈতিক রঙে রঙিন, যখন কেউ জয়ের উল্লাসে মত্ত, আর কেউ বা পরাজয়ের গ্লানিতে বিদ্রুপের বাণ ছুড়ছেন, ঠিক তখনই নিস্তব্ধতা ভেঙে গর্জে উঠলেন টালিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার (৫ মে) তার একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট যেন বিনোদন জগতে সৃষ্টি হওয়া গুঞ্জন এক লহমায় গুঁড়িয়ে দিল। স্পষ্ট ভাষায় অভিনেতা জানিয়ে দিলেন, রাজনীতির এই কাদা ছোড়াছুড়ি বা ক্ষমতার অলিন্দে তার কোনো ঠাঁই নেই।ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারিতে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার পর বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার প্রসেনজিতের বাড়িতে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেই থেকেই ফিসফাস শুরু। এরপর শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ সোমবার দাবি করেন, জয়ের পর টলিপাড়ার একঝাঁক তারকার সঙ্গে তার কথা হয়েছে।সেই তালিকায় সৃজিত মুখার্জি কিংবা কৌশিক গাঙ্গুলীর পাশাপাশি ছিল প্রসেনজিতের নামও। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে, তবে কি প্রসেনজিৎ এবার গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন?

গুঞ্জন যখন চরমে ঠিক তখনই মুখ খুললেন অভিনেতা নিজেই। এ বিষয়ে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আমি দীর্ঘ বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছি এবং আগামিদিনেও ঠিক একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ, দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রং লাগাবেন না।’এদিকে রুদ্রনীলকে ফোন করার বিষয়ে প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ‘আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমায়। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি কেবল সেটুকুই পালন করেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগসূত্র নেই।