ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুশীল সমাজের আবরণে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন রয়েছে : মুশফিকুল ফজল

  • আপডেট সময় : ০৬:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১১৫ বার পড়া হয়েছে

সুশীল সমাজের আবরণে এখনো ফ্যাসিবাদের চিহ্ন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ম‍্যাক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

বুধবার রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্থাপনায় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মুশফিকুল ফজল আনসারী লিখেছেন, বাংলাদেশের মাটিতে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন থাকবে কিনা, কিংবা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পূজা-অর্চনার স্থান টিকে থাকবে কিনা- এ সিদ্ধান্ত একমাত্র দেশের জনগণের।

কিছু প্রশ্নের অবতারণা করে মুশফিক লিখেছেন, তবে আমার প্রশ্ন, অগণিত ছাত্র-জনতার রক্ত যাদের হাতে, সেই নরপিশাচরা ও তাদের নেত্রীর এত স্পর্ধা দেখায় কীভাবে? এই সাহস আসে কোথা থেকে? যারা এমন অপরাধ করেছে, যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলেও ক্ষতিপূরণ হবার নয়, তাদের প্রতি কি কোনো সহানুভূতি প্রদর্শনের সুযোগ থাকতে পারে?

তিনি লেখেন, শুধু ইট-বালু-পাথরের কংক্রিটই ফ্যাসিবাদের চিহ্ন? রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার বাঁকে বাঁকে এবং সুশীল সমাজের আবরণে হাসিনা সরকারের দোসরদের ঘাপটি মারা অবস্থান কি ফ্যাসিবাদের চিহ্ন নয়?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সুশীল সমাজের আবরণে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন রয়েছে : মুশফিকুল ফজল

আপডেট সময় : ০৬:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুশীল সমাজের আবরণে এখনো ফ্যাসিবাদের চিহ্ন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ম‍্যাক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

বুধবার রাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্থাপনায় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মুশফিকুল ফজল আনসারী লিখেছেন, বাংলাদেশের মাটিতে ফ্যাসিবাদের চিহ্ন থাকবে কিনা, কিংবা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পূজা-অর্চনার স্থান টিকে থাকবে কিনা- এ সিদ্ধান্ত একমাত্র দেশের জনগণের।

কিছু প্রশ্নের অবতারণা করে মুশফিক লিখেছেন, তবে আমার প্রশ্ন, অগণিত ছাত্র-জনতার রক্ত যাদের হাতে, সেই নরপিশাচরা ও তাদের নেত্রীর এত স্পর্ধা দেখায় কীভাবে? এই সাহস আসে কোথা থেকে? যারা এমন অপরাধ করেছে, যার সর্বোচ্চ শাস্তি হলেও ক্ষতিপূরণ হবার নয়, তাদের প্রতি কি কোনো সহানুভূতি প্রদর্শনের সুযোগ থাকতে পারে?

তিনি লেখেন, শুধু ইট-বালু-পাথরের কংক্রিটই ফ্যাসিবাদের চিহ্ন? রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার বাঁকে বাঁকে এবং সুশীল সমাজের আবরণে হাসিনা সরকারের দোসরদের ঘাপটি মারা অবস্থান কি ফ্যাসিবাদের চিহ্ন নয়?