ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এমওইউ নিয়ে হোয়াইট হাউসের বার্তা

  • আপডেট সময় : ০৮:০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অতীতের ‘তুষ্টিকরণ, অর্থের বিনিময়ে সমঝোতা এবং অন্তহীন যুদ্ধের’ ব্যর্থ নীতি থেকে সরে আসার একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছে হোয়াইট হাউস।শুক্রবার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানায়, এই চুক্তি ‘আমেরিকার শক্তিশালী অবস্থানের ভিত্তিতে’ অর্জিত হয়েছে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সমঝোতার ফলে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার পথ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভবিষ্যতে সামরিক উত্তেজনা কমানো এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যার আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ৬০ দিনের নতুন আলোচনা শুরু হয়। এ চুক্তির পর আন্তর্জাতিক মহলে ধারণা তৈরি হয় যে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে ইরানের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে।এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দাবি করেন, ইরান তাদের পারমাণবিক স্থাপনায় পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেবে এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের হিসাব তুলে ধরবে।তবে পরে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ধরনের কিছু প্রতিবেদনের সত্যতা অস্বীকার করে। তারা জানায়, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বর্তমান তদারকির বাইরে অতিরিক্ত কোনো পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

এদিকে এই চুক্তিকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এমওইউ নিয়ে হোয়াইট হাউসের বার্তা

আপডেট সময় : ০৮:০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অতীতের ‘তুষ্টিকরণ, অর্থের বিনিময়ে সমঝোতা এবং অন্তহীন যুদ্ধের’ ব্যর্থ নীতি থেকে সরে আসার একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছে হোয়াইট হাউস।শুক্রবার এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানায়, এই চুক্তি ‘আমেরিকার শক্তিশালী অবস্থানের ভিত্তিতে’ অর্জিত হয়েছে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সমঝোতার ফলে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার পথ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভবিষ্যতে সামরিক উত্তেজনা কমানো এবং ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছায়, যার আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ৬০ দিনের নতুন আলোচনা শুরু হয়। এ চুক্তির পর আন্তর্জাতিক মহলে ধারণা তৈরি হয় যে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে ইরানের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে।এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দাবি করেন, ইরান তাদের পারমাণবিক স্থাপনায় পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেবে এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের হিসাব তুলে ধরবে।তবে পরে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ধরনের কিছু প্রতিবেদনের সত্যতা অস্বীকার করে। তারা জানায়, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার বর্তমান তদারকির বাইরে অতিরিক্ত কোনো পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

এদিকে এই চুক্তিকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক মহলের।