চীনের মডেলে আধুনিক হচ্ছে বাংলাদেশের ৮ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- আপডেট সময় : ০৮:০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
চীনের কারিগরি শিক্ষার পাঠ্যক্রম, পাঠদান পদ্ধতি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশের আটটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ ও আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হবে।এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) চীনের তিয়াঞ্জিনে ২০২৬ সালের বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এ সমঝোতা স্মারকে সই করেন। বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের পক্ষে দেশটির শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান এতে সই করেন।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ সহযোগিতার আওতায় বাংলাদেশে যৌথভাবে ২+২ ও ৩+১ মডেলের কারিগরি শিক্ষাক্রম চালু করা হবে।পাশাপাশি চীনের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি কারিগরি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বৃত্তির পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে একটি নতুন কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে চীনের গুয়াংডং, জিয়াংসি ও অন্যান্য প্রদেশের খ্যাতনামা কারিগরি এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশ-চীন সমঝোতা স্মারক এবং বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট একসঙ্গে দেশের দক্ষতা উন্নয়নে গতি সঞ্চার করবে।
বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড অনুসরণ এবং বাস্তবভিত্তিক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা তরুণ বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।
এদিকে সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে ‘ফ্রেমওয়ার্ক অব ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস’ বা ‘বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ এ বৈশ্বিক কাঠামোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।চীনের তিয়াঞ্জিনের মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে ৪০টির বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১০০টির বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে সম্মেলনে আরও কয়েকটি উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়।সংশ্লিষ্টদের আশা, বাংলাদেশ ও চীনের এ সহযোগিতা কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং দেশের তরুণদের দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





















